ঢাকা , শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদযাত্রায় ৩১১ জনের প্রাণহানি: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০১৭
  • / ১০৫৫ টাইম ভিউ

ঈদযাত্রায় সারা দেশে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ৩১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। কেবলমাত্র সড়ক-মহাসড়কেই ২০৫টি দুর্ঘটনায় ২৭৪ জন নিহত হন। আহত হয়েছেন ৮৪৮ জন।
এ ছাড়া নৌ-পথে ১টি দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছে এবং রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে পূর্বঞ্চলে ২৫ জন ও পশ্চিমাঞ্চলে ৯ জনসহ মোট ৩৪ জন নিহত হয়েছেন।
ফলে সর্বমোট ২৪০টি দুর্ঘটনায় ৩১১ জন নিহত ও ৮৬২ জন আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির ‘ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০১৭’ এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংগঠনটি।
সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, প্রতিবছর ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা আশংকাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত চার বছর ধরে বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। এবারের ঈদে রেশনিং পদ্ধতিতে ছুটি থাকায় ঈদ যাত্রায় খানিকটা স্বস্তিদায়ক হলেও সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। ফলে বেড়েছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও।
প্রতিবেদনে বলা হয় ঈদযাত্রা শুরুর দিন ১৯ জুন থেকে ঈদ শেষে বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরা ১ জুলাই পর্যন্ত ১৩ দিনে সড়কে ২০৫টি দুর্ঘটনায় ২৭৪ জন নিহত ও ৮৪৮ জন আহত হয়েছেন।
একই সময় নৌ-পথে ১টি দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছে এবং রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে পূর্বাঞ্চলে ২৫ জন ও পশ্চিমাঞ্চলে ৯ জনসহ মোট ৩৪ জন নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটিরিং সেলের সদস্যরা ২২টি জাতীয় দৈনিক, ৬টি আঞ্চলিক দৈনিক, ১০টি অনলাইনে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
তবে গত বছর ঈদুল ফিতরের তুলনায় এবার দুর্ঘটনার সংখ্যা কমলেও বেড়েছে মৃত্যুর হার। গত বছর দুর্ঘটনা ঘটে ১২১টি। এতে নিহত হয় ১৮৬জন। এবারের নিহতের সংখ্যা গত বছরের চেয়ে ৮৮জন বেশি। গত বছর আহত হয় ৪৪৬জন এবার এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪৮ জনে।

পোস্ট শেয়ার করুন

ঈদযাত্রায় ৩১১ জনের প্রাণহানি: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

আপডেটের সময় : ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০১৭

ঈদযাত্রায় সারা দেশে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ৩১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। কেবলমাত্র সড়ক-মহাসড়কেই ২০৫টি দুর্ঘটনায় ২৭৪ জন নিহত হন। আহত হয়েছেন ৮৪৮ জন।
এ ছাড়া নৌ-পথে ১টি দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছে এবং রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে পূর্বঞ্চলে ২৫ জন ও পশ্চিমাঞ্চলে ৯ জনসহ মোট ৩৪ জন নিহত হয়েছেন।
ফলে সর্বমোট ২৪০টি দুর্ঘটনায় ৩১১ জন নিহত ও ৮৬২ জন আহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির ‘ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০১৭’ এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংগঠনটি।
সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, প্রতিবছর ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা আশংকাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত চার বছর ধরে বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। এবারের ঈদে রেশনিং পদ্ধতিতে ছুটি থাকায় ঈদ যাত্রায় খানিকটা স্বস্তিদায়ক হলেও সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। ফলে বেড়েছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও।
প্রতিবেদনে বলা হয় ঈদযাত্রা শুরুর দিন ১৯ জুন থেকে ঈদ শেষে বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরা ১ জুলাই পর্যন্ত ১৩ দিনে সড়কে ২০৫টি দুর্ঘটনায় ২৭৪ জন নিহত ও ৮৪৮ জন আহত হয়েছেন।
একই সময় নৌ-পথে ১টি দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছে এবং রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে পূর্বাঞ্চলে ২৫ জন ও পশ্চিমাঞ্চলে ৯ জনসহ মোট ৩৪ জন নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটিরিং সেলের সদস্যরা ২২টি জাতীয় দৈনিক, ৬টি আঞ্চলিক দৈনিক, ১০টি অনলাইনে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
তবে গত বছর ঈদুল ফিতরের তুলনায় এবার দুর্ঘটনার সংখ্যা কমলেও বেড়েছে মৃত্যুর হার। গত বছর দুর্ঘটনা ঘটে ১২১টি। এতে নিহত হয় ১৮৬জন। এবারের নিহতের সংখ্যা গত বছরের চেয়ে ৮৮জন বেশি। গত বছর আহত হয় ৪৪৬জন এবার এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪৮ জনে।