ঢাকা , সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমরা যাত্রীদের পরিপূর্ণ সেবা দিতে পারছি না : রেলমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৯
  • / ৩৮৬ টাইম ভিউ

রেল সেবা সপ্তাহে রেলওয়ের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আমরা যাত্রীদের পরিপূর্ণ সেবা দিতে পারছি না।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রেলওয়ে সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রেলমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, এটা সত্য, আমরা যাত্রীদের পরিপূর্ণ সেবা দিতে পারছি না। শিডিউল বিপর্যয় ও টিকিট কালোবাজারি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। ট্রেন দুর্ঘটনারও সম্মুখীন হচ্ছে। এসব কারণে পরিপূর্ণ সেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

রেলমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী রেলের সেবা যেন উত্তরোত্তর বাড়াতে পারি, সেজন্য রেলসেবা সপ্তাহ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সেবা সপ্তাহের অন্যতম উদ্দেশ্য যাত্রীদের সচেতন করা।

রেল বিভাগের দুর্বলতার কথা স্বীকার করে নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, বিভিন্ন দেশের রেলসেবার মানকে যখন আমাদের দেশের রেলসেবার মানের সঙ্গে তুলনা করি, তখন বুঝতে পারি আমরা কতটা দুর্বল অবস্থায় আছি।

সিঙ্গেল রেল লাইনের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অধিকাংশ রুটেই সিঙ্গেল লাইনে ট্রেন চলাচল করছে। শুধু চট্রগ্রাম রুটের অধিকাংশই ডাবল লাইন হয়ে গেছে। ডাবল লাইনের আওতায় আসলে শিডিউল বিপর্যয়সহ সব ধরনের সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।

মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন হতে পারে জানিয়েছেন তিনি।

লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) সংকট প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, ট্রেনের লোকোমোটিভের অর্ডার দিলে সেটা ডেলিভারি দিতে তিন থেকে চার বছর সময় লাগে। তিনি বলেন, কোরিয়া থেকে ২০২০ সালের জুলাই মাস নাগাদ ১০টি লোকোমোটিভ আসবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসবে ৪০টি।

পোস্ট শেয়ার করুন

আমরা যাত্রীদের পরিপূর্ণ সেবা দিতে পারছি না : রেলমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৯

রেল সেবা সপ্তাহে রেলওয়ের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আমরা যাত্রীদের পরিপূর্ণ সেবা দিতে পারছি না।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রেলওয়ে সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রেলমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, এটা সত্য, আমরা যাত্রীদের পরিপূর্ণ সেবা দিতে পারছি না। শিডিউল বিপর্যয় ও টিকিট কালোবাজারি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। ট্রেন দুর্ঘটনারও সম্মুখীন হচ্ছে। এসব কারণে পরিপূর্ণ সেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

রেলমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী রেলের সেবা যেন উত্তরোত্তর বাড়াতে পারি, সেজন্য রেলসেবা সপ্তাহ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সেবা সপ্তাহের অন্যতম উদ্দেশ্য যাত্রীদের সচেতন করা।

রেল বিভাগের দুর্বলতার কথা স্বীকার করে নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, বিভিন্ন দেশের রেলসেবার মানকে যখন আমাদের দেশের রেলসেবার মানের সঙ্গে তুলনা করি, তখন বুঝতে পারি আমরা কতটা দুর্বল অবস্থায় আছি।

সিঙ্গেল রেল লাইনের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অধিকাংশ রুটেই সিঙ্গেল লাইনে ট্রেন চলাচল করছে। শুধু চট্রগ্রাম রুটের অধিকাংশই ডাবল লাইন হয়ে গেছে। ডাবল লাইনের আওতায় আসলে শিডিউল বিপর্যয়সহ সব ধরনের সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।

মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন হতে পারে জানিয়েছেন তিনি।

লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) সংকট প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, ট্রেনের লোকোমোটিভের অর্ডার দিলে সেটা ডেলিভারি দিতে তিন থেকে চার বছর সময় লাগে। তিনি বলেন, কোরিয়া থেকে ২০২০ সালের জুলাই মাস নাগাদ ১০টি লোকোমোটিভ আসবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসবে ৪০টি।