ঢাকা , শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
লিসবনে আত্মপ্রকাশ হয় সামাজিক সংগঠন “গোলাপগঞ্জ কমিউনিটি কেয়ারর্স পর্তুগাল “ উচ্ছ্বাস আর আনন্দে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের উদযাপন করেছে পর্তুগাল যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল

আতিয়াব ফিফটি এইট ফারফিউম শো-রুম এর উদ্ভোধন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯
  • / ১৩৪৮ টাইম ভিউ

নিজস্ব প্রতিনিধি: কুয়েতের ঐতিহ্যবাহী মার্কেট এলাকা হলো সোক আল মোবারকিয়া( ইরানী মার্কেট)সেখানে বিশ্বের ব্রান্ডেড রকমারী কোম্পানীর ফারফিউম ও আতর এর শো-রোম এর উদ্ভোধন করা হয় গতকাল রোববার সন্ধায় ছয়টায় । উদ্ভোধনী অনুষ্টানে উপস্হিত ছিলেন জালালবাদ সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী জোবায়ের আহমেদ বিভিন্ন ব্যাবসায়ী – রাজনৈতিক ও সাংবাদিকগণ ।

এই শোরুম দিয়ে ১৩ তম শোরুম অধিকারী হলেন তিন সহোদর । কথায় আছে প্রতিটি মামুষই সম্ভাবনাময়,কেউ কারো সম্ভাবনা খোঁজে দেয়না, নিজেরটা আবিষ্কার করতে হয় নিজেকেই ।
সঠিক সিন্ধান্ত ও পরিশ্রমই সম্ভাবনাকে সফলতায় পরিণত করে ।
একটি সঠিক সিন্ধান্ত জয়ের পথ প্রশস্ত করে দেয়, একটি সঠিক সিন্ধান্ত পরিবর্তিত করে আপনার জীবন ।আর তা আপনার জন্য অপেক্ষমাণ সেরা উপহারটি এনে দিবে আপনার কাছে ।
তাদের সততা . মেধা এবং কঠোর শ্রম এনে দিয়েছে তিন ভাইয়ের ব্যাবসায়ীক সফলতা , উনারা হলেন মো: শওকত আলী, মো: সান্জব আলী ও মো: সুমন আলী ।
বড় ভাইয়ের হাত ধরে ৯০ দশকে উনাদের আগমন কুয়েতে ।
এক এক করে আরব আমিরাতে চারটি শোরুম ও কুয়েতে ৯ টি শোরুম মোট ১৩ টি শোরুম করেছেন ।
“সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করেনা”
কথাটি সবাই জানি.কিন্তু মানি কয়জন ? সময় খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে, দিনগুলো বছরে পরিণত হচ্ছে, আমরা সর্বদা গন্তব্য নিয়ে ভাবি ।
কিন্তু কোথায় থেকে শুরু করতে হবে তা দিব্বী ভূলে যাই ।
কিন্তু এক্ষেত্রে খুবই সর্তক উনাদে চতুর্থ ভাই মো: সুমন আলী, ঠিক সময়ে সঠিক সিন্ধান্ত নিতে কখনই ভুলেন না উনি । আর উনার সিন্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়ে সহমত পোষন করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন উনার সব ভাইয়েরা । একই বলে যৌথপরিবাক আর ঐক্যবদ্ধ সিন্ধান্তেই সফলতা আসে ।
তাদের আরেকটি পরিচিতি আছে দানবীর বলেও, যে কোন মানুষ প্রবাসে সমস্যায় পড়েছে শুনলে সাহায্য হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসেন । যখন শুনেন দেশে মসজিদ -মাদ্রাসায় সাহায্য প্রয়োজন নিরবে নির্বিতে সাহায্য করে যাচ্ছেন । এক্ষেত্রে না শব্দটা তারা ভূলেই গেছেন ।

পোস্ট শেয়ার করুন

আতিয়াব ফিফটি এইট ফারফিউম শো-রুম এর উদ্ভোধন

আপডেটের সময় : ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯

নিজস্ব প্রতিনিধি: কুয়েতের ঐতিহ্যবাহী মার্কেট এলাকা হলো সোক আল মোবারকিয়া( ইরানী মার্কেট)সেখানে বিশ্বের ব্রান্ডেড রকমারী কোম্পানীর ফারফিউম ও আতর এর শো-রোম এর উদ্ভোধন করা হয় গতকাল রোববার সন্ধায় ছয়টায় । উদ্ভোধনী অনুষ্টানে উপস্হিত ছিলেন জালালবাদ সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী জোবায়ের আহমেদ বিভিন্ন ব্যাবসায়ী – রাজনৈতিক ও সাংবাদিকগণ ।

এই শোরুম দিয়ে ১৩ তম শোরুম অধিকারী হলেন তিন সহোদর । কথায় আছে প্রতিটি মামুষই সম্ভাবনাময়,কেউ কারো সম্ভাবনা খোঁজে দেয়না, নিজেরটা আবিষ্কার করতে হয় নিজেকেই ।
সঠিক সিন্ধান্ত ও পরিশ্রমই সম্ভাবনাকে সফলতায় পরিণত করে ।
একটি সঠিক সিন্ধান্ত জয়ের পথ প্রশস্ত করে দেয়, একটি সঠিক সিন্ধান্ত পরিবর্তিত করে আপনার জীবন ।আর তা আপনার জন্য অপেক্ষমাণ সেরা উপহারটি এনে দিবে আপনার কাছে ।
তাদের সততা . মেধা এবং কঠোর শ্রম এনে দিয়েছে তিন ভাইয়ের ব্যাবসায়ীক সফলতা , উনারা হলেন মো: শওকত আলী, মো: সান্জব আলী ও মো: সুমন আলী ।
বড় ভাইয়ের হাত ধরে ৯০ দশকে উনাদের আগমন কুয়েতে ।
এক এক করে আরব আমিরাতে চারটি শোরুম ও কুয়েতে ৯ টি শোরুম মোট ১৩ টি শোরুম করেছেন ।
“সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করেনা”
কথাটি সবাই জানি.কিন্তু মানি কয়জন ? সময় খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে, দিনগুলো বছরে পরিণত হচ্ছে, আমরা সর্বদা গন্তব্য নিয়ে ভাবি ।
কিন্তু কোথায় থেকে শুরু করতে হবে তা দিব্বী ভূলে যাই ।
কিন্তু এক্ষেত্রে খুবই সর্তক উনাদে চতুর্থ ভাই মো: সুমন আলী, ঠিক সময়ে সঠিক সিন্ধান্ত নিতে কখনই ভুলেন না উনি । আর উনার সিন্ধান্ত কে স্বাগত জানিয়ে সহমত পোষন করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন উনার সব ভাইয়েরা । একই বলে যৌথপরিবাক আর ঐক্যবদ্ধ সিন্ধান্তেই সফলতা আসে ।
তাদের আরেকটি পরিচিতি আছে দানবীর বলেও, যে কোন মানুষ প্রবাসে সমস্যায় পড়েছে শুনলে সাহায্য হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসেন । যখন শুনেন দেশে মসজিদ -মাদ্রাসায় সাহায্য প্রয়োজন নিরবে নির্বিতে সাহায্য করে যাচ্ছেন । এক্ষেত্রে না শব্দটা তারা ভূলেই গেছেন ।