ঢাকা , শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
আপডেট :
যথাযথ গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পরিবেশে মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর পালন করেছে ভেনিস প্রবাসীরা ভেনিসে বৃহত্তর সিলেট সমিতির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত এক অসুস্থ প্রজন্ম কে সাথি করে এগুচ্ছি আমরা রিডানডেন্ট ক্লোথিং আর মজুর মামার ‘বিশ্বকাপ’ ইউরোপের সবচেয়ে বড় ঈদুল ফিতরের নামাজ পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঈদের কাপড় কিনার জন্য মা’য়ের উপর অভিমান করে মেয়ের আত্মহত্যা লিসবনে বন্ধু মহলের আয়োজনে বিশাল ইফতার ও দোয়া মাহফিল মান অভিমান ভুলে সবাই একই প্লাটফর্মে,সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগাল বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি ইতালির ভিসেন্সায় সিলেট ডায়নামিক অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

আজ থেকে শুরু শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৯
  • / ১১০৪ টাইম ভিউ

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:  সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ তিন জেলার মিলনস্থল শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরে ২ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা আজ থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ১৫ জানুয়ারী ভোরে।

মূলত সনাতন ধর্মালম্বীদের পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে মাছের মেলা অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে তা পরিণত হয়েছে সার্বজনীন উৎসবে। প্রায় ২শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ মেলা ইতোমধ্যে সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় মেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

পূর্বে সপ্তাহব্যাপী এ মেলা চললেও বর্তমানে তার পরিসর সীমিত আকারে এসে ঠেকেছে। এক সময় এ মেলা মনুমূখ বাজারে মনু নদীর তীরে বসতো। নদী ভাঙ্গন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বর্তমানে তা মৌলভীবাজার সদর থানার শেরপুরস্থ কুশিয়ারা নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয়।

এ মেলাকে ঘিরে সিলেট-মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মিলনস্থল শেরপুর জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মাছের মেলা নাম হলেও ক্রমে তা লোকজ মেলায় রূপ নিয়েছে। বিশাল জায়গা জুড়ে কয়েক শত দোকানে মাছের পাশাপাশি গৃহস্থালী সামগ্রী ও বিভিন্ন ধরণের কাঠমাল বিক্রি হয়। সাথে পিঠাপুলিসহ নানা ধরণের খাদ্য ও খেলনার দোকান সাজান ব্যবসায়ীরা। মেলায় সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন হাওর ও বিলের বিশাল বিশাল দেশি প্রজাতির শোল, গজার, বোয়াল, চিতল, বাঘা আইড়, সহ অন্যান্য মাছ আনা হয় যার এক একটির মুল্য লক্ষাধিক টাকা ৷ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এই মেলায় মাছ কিনতে আসে ৷

উল্ল্যেখ্য, আগে মাছের মেলায় বসত জুয়া ও অশ্লিল নৃত্যের আসর। কিন্তু গত কয়েক বছর থেকে এলাকাবাসী ও মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সহযোগীতায় এসব অপকর্ম বন্ধ করা হয়েছে। মেলার শৃংখলা রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৷

পোস্ট শেয়ার করুন

আজ থেকে শুরু শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

আপডেটের সময় : ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৯

দেশদিগন্ত নিউজ ডেস্ক:  সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ তিন জেলার মিলনস্থল শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরে ২ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা আজ থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ১৫ জানুয়ারী ভোরে।

মূলত সনাতন ধর্মালম্বীদের পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে মাছের মেলা অনুষ্ঠিত হলেও বর্তমানে তা পরিণত হয়েছে সার্বজনীন উৎসবে। প্রায় ২শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ মেলা ইতোমধ্যে সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় মেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

পূর্বে সপ্তাহব্যাপী এ মেলা চললেও বর্তমানে তার পরিসর সীমিত আকারে এসে ঠেকেছে। এক সময় এ মেলা মনুমূখ বাজারে মনু নদীর তীরে বসতো। নদী ভাঙ্গন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বর্তমানে তা মৌলভীবাজার সদর থানার শেরপুরস্থ কুশিয়ারা নদীর তীরে অনুষ্ঠিত হয়।

এ মেলাকে ঘিরে সিলেট-মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মিলনস্থল শেরপুর জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মাছের মেলা নাম হলেও ক্রমে তা লোকজ মেলায় রূপ নিয়েছে। বিশাল জায়গা জুড়ে কয়েক শত দোকানে মাছের পাশাপাশি গৃহস্থালী সামগ্রী ও বিভিন্ন ধরণের কাঠমাল বিক্রি হয়। সাথে পিঠাপুলিসহ নানা ধরণের খাদ্য ও খেলনার দোকান সাজান ব্যবসায়ীরা। মেলায় সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন হাওর ও বিলের বিশাল বিশাল দেশি প্রজাতির শোল, গজার, বোয়াল, চিতল, বাঘা আইড়, সহ অন্যান্য মাছ আনা হয় যার এক একটির মুল্য লক্ষাধিক টাকা ৷ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এই মেলায় মাছ কিনতে আসে ৷

উল্ল্যেখ্য, আগে মাছের মেলায় বসত জুয়া ও অশ্লিল নৃত্যের আসর। কিন্তু গত কয়েক বছর থেকে এলাকাবাসী ও মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের সহযোগীতায় এসব অপকর্ম বন্ধ করা হয়েছে। মেলার শৃংখলা রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৷